সাইবার আক্রমণের রেড জোনে বাংলাদেশ
চলতি বছরের গত মে মাস পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলা বেড়েছে ৬০০ শতাংশ। জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিল বৈঠকের এমন তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে বাংলাদেশ সাবাইর আক্রমণের সবচেয়ে বিপজ্জনক রেড জোনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটিও ফোরামের নির্বাহী কমিটি সদস্য নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-পরিচালক আজিম উল হক।
তিনি জানান, গত বছর পর্যন্ত বছরে গড়ে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সাইবার হামলা বাড়লেও গত জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত সময়ে এই আক্রমণ বেড়েছে ৬০০ শতাংশ। হোম অফিসের সুযোগ নিয়ে কোভিড-১৯ এর নামে মারাত্মক ম্যালেসিয়াস ডোমেইন আক্রমণ চালানো হয়েছে। রিমোর্ট নেটওয়ার্ক থেকে ওপেন ভিপিএন ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা সেন্টারে প্রবেশ করা, ওয়েব বৈঠকে ফ্রি টুল ব্যবহার এবং সর্বোপরি নক এবং সক নেটওয়ার্ক এখন অনেকটাই অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। বাসায় বসে ফ্রি ও পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির তালিকায় রয়েছ।
শনিবার (২৭ জুন) মহামারী সময়ে সাইবার অপরাধ ও ডেটা ফাঁস বিষয়ে অনুষ্ঠিত অনলাইন সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় এমন সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে।
সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকারের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন সিটিও ফোরামের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড সৈয়দ আখতার হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার মেহেদি হাসান এবং গ্রামীন ফোনের ইনফরমেশন সিকিউরিটি আর্কিটেক্ট শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির মহাপরিচালক রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, এই যুগে ডেটা হচ্ছে সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব এককভাবে ব্যক্তি, সংগঠন ও দেশের। সাইবার আকাশকে সুরক্ষার জন্য প্রতিটি দেশই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে। আমরাও ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সি সাইবার আর্মি গঠন করেছে। কিন্তু চাইলেই দক্ষ জনবল পাওয়া যায় না। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো সোচ্চার হতে হবে।